খুলনা, বাংলাদেশ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁওতে নেই প্রাণীসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারী হাসপাতাল, সেবা বঞ্চিত 

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও 

ঈদগাঁও উপজেলা ঘোষনার পাঁচ বছর অতিক্রম হলেও এখনো গড়ে উঠেনি (উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল)। ফলে উপজেলার অসংখ্য  পশু খামারিরা সরকারি প্রাণিসম্পদ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলার একমাত্র প্রাণীসম্পদ কল্যাণ কেন্দ্রটিও দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় সেখানে সেবা কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন এলাকাবাসী।সরপজমিনে দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারে (ইউপি পরিষদ) সংলগ্ন  অবস্থিত একমাত্র প্রাণীসম্পদ কল্যাণ কেন্দ্রটির প্রবেশমুখ দখল করে ভাসমান দোকান বসানো হচ্ছে। কল্যাণ কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে থাকা একমাত্র টিউবওয়েল ও পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত লোহার খাঁচা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ভবনের জানালা ভাঙাচোরা, বারান্দাজুড়ে বর্ষার পচা দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। বাইরে থেকে দরজায় তালা ঝুললেও খোলা জানালা দিয়ে ভেতরের ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় দেখা যায়।উপসহকারী প্রাণীসম্পদ অফিসার, কক্সবাজার সদর ( ঈদগাঁওয়ে অতি: দায়িত্বপ্রাপ্ত) শহিদুল ইসলাম তালুকদারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে কল্যাণ কেন্দ্রটি জরাজীর্ণ ও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির পানি ও বাজারের পচা পানির কারণে সেখানে অফিস করা বা সেবা দেওয়ার মতো পরিবেশ নেই। এরপরও ন্যূনতম সেবা অব্যাহত রাখতে তিনি ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের একটি কক্ষে বসে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।তিনি জানান, কক্সবাজার সদর উপজেলা থেকে পৃথক হয়ে প্রায় পাঁচ বছর আগে ঈদগাঁও উপজেলা গঠিত হলেও এখনো উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফলে তিনি এখনো আগের উপজেলার অধীনেই অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের জন্য বরাদ্দও ঈদগাঁও উপজেলা এখনো পায়নি।তথ্য মতে, শতাধিকেও বেশি গরু, ছাগল, মহিষ ও মুরগির খামার রয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর তারা সরকারি কোন সেবা পাচ্ছেনা। উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলে খামারগুলো সরকারি নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এতে সরকার যেমন রাজস্ব পাবে, তেমনি খামারিরাও বিভিন্ন রোগবালাইজনিত ক্ষতি থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন।সূত্র মতে, সদর উপজেলা থেকে পৃথক হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখনো ঈদগাঁও উপজেলার জন্য প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের অফিস আদেশ দেয়নি। ফলে অফিস চালু কিংবা জনবল পদায়ন কোনটিই সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সদর থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।সচেতন মহলের দাবী, ঈদগাঁও উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT